Skip to main content

ধোনি বনাম কোহালি, আজ সেরা দ্বৈরথ চিন্নাস্বামীতে

নিজস্ব প্রতিবেদন

 
আইপিএলে এই একটা দ্বৈরথ ঘিরে সব সময় বাড়তি আকর্ষণ থাকে। বিরাট কোহালি বনাম মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। আজ, বুধবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর বনাম চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচের প্রেক্ষাপটে ভারতের বর্তমান এবং প্রাক্তন অধিনায়কের লড়াইয়ে কিন্তু নজর থাকবে সবার।
ধোনির সিএসকে যেখানে পাঁচটির মধ্যে চারটে ম্যাচ জিতে লিগ টেবলে দু’নম্বরে আছে, সেখানে কোহালির আরসিবি পাঁচটি ম্যাচে জিতেছে মাত্র দু’টোয়। তবে আরসিবির সুবিধে হল, পরপর তিনটে ম্যাচ তাদের খেলতে হবে ঘরের মাঠে। বুধবারের চেন্নাই ম্যাচ যার প্রথম। ঘরের মাঠে খেলা নিয়ে এ বি ডিভিলিয়ার্স মঙ্গলবার বলেন, ‘‘ঘরের মাঠকে নিজেদের দুর্গ বানিয়ে ফেলতে পারলে সব সময় ভাল জায়গায় থাকা যায়। গত বছর আমাদের খুব খারাপ কেটেছিল। এ বার চেষ্টা করতে হবে, সে রকম যেন না হয়।’’
নিজেদের সামনে কী লক্ষ্য, সেটাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন এবি। আরসিবি ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসা বলেছেন, ‘‘ঘরের মাঠে আমরা এ বার যে ম্যাচগুলো খেলব, সেগুলো জিততে হবে। ঘরে ভাল ফল করতে পারলে সেটা প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে কাজে আসে।’’
আইপিএলে আরসিবির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিভিলিয়ার্স বলেন, ‘‘প্রথম তিন বছর আমি আরসিবিতে ছিলাম না। তাই বলতে পারব না, এখানে কী ঘটেছে। গত তিন বছর নিয়ে বলতে পারি, আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। এ বছর আমাদের দলে বেশ কয়েক জন নতুন মুখ আছে। আশা করছি, ট্রফি জেতানোর মতো বিশেষ কাউকে দলে পেয়েছি আমরা।’’
সমস্যা হল, চিন্নাস্বামীতে ডিভিলিয়ার্সদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল আবার ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে বাকিদের থেকে। জয়ের ছন্দে থাকা চেন্নাইকে থামানো খুব একটা সহজ কাজ নয়। চেন্নাইয়ের দুই ভারতীয় পেসার এ বার সবার নজর কেড়েছেন। দীপক চাহার এবং শার্দূল ঠাকুর। বিশেষ করে নতুন বলে চাহারকে রীতিমতো ভয়ঙ্কর দেখিয়েছে। এই পেসারকে নিয়ে চেন্নাই কোচ স্টিভন ফ্লেমিং বলেছেন, ‘‘গত দু’বছর ধরে উন্নতি করে চলেছে দীপক। ওর সব চেয়ে বড় গুণ হল, গতির সঙ্গে সুইং করাতে পারা। ঘণ্টায় ১৪০-১৪৩ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে দীপক। এখন ওকে ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।’’
ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম দুই সেরা অধিনায়কের লড়াইটা যে যথেষ্ট উপভোগ্য হবে, সেটা বলছেন ফ্লেমিং। পাশাপাশি কোহালির দল নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘‘আরসিবির ব্যাটিং দারুণ। বোলিংও সে রকম। আমরা ছন্দে আছি ঠিকই, কিন্তু ওদের হারাতে গেলে খুব ভাল খেলতে হবে। বিশেষ করে যদি ওদের ব্যাটিংকে চাপে ফেলতে হয়।’’ আরসিবি বোলিং নিয়ে ফ্লেমিংয়ের মন্তব্য, ‘‘ওদের বোলাররাও খুব ভাল। উমেশ যাদব নতুন বলে বিপজ্জনক। বেশ ছন্দে আছে। সঙ্গে চহাল আছে।’’

Comments

Popular posts from this blog

আই পি এল বেটিংয়ে শিলিগুড়িতে এক জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিসের গোয়েন্দা শাখা

আই পি এল বেটিংয়ে শিলিগুড়িতে এক জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিসের গোয়েন্দা শাখা On  April 25, 2018   আই পি এল বেটিংয়ে শিলিগুড়িতে এক জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিসের গোয়েন্দা শাখা(ডিডি)। সোর্স মারফত খবর পেয়ে ডিডির টিম শহরের বিধান রোডের একটি দোকানে হানা দিয়ে সুবীর রায় নামে এক ব্যক্তি কে ধরে। তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩২ হাজার টাকা পাওয়া যায়, ফোনের মাধ্যমে ওই ব্যক্তি বেটিং করছিল বলে ডিডির অফিসাররা জানিয়েছন।

হরিরামপুর ব্লকে ভোট বাক্স ঠিক করতে ব্যস্ত মিস্তিরিরা

হরিরামপুর ব্লকে ভোট বাক্স ঠিক করতে ব্যস্ত মিস্তিরিরা হরিরামপুর ব্লকে ভোট বাক্স ঠিক করতে ব্যস্ত মিস্তিরিরা On  April 25, 2018     দক্ষিণ দিনাজপুর হরিরামপুর  : রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত ভোটকে নি চলছে শাসক বিরোধীদের ঠান্ডা লড়াই। এখন নির্বাচন কমিশনের ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করার পালা , এরই মাঝে পঞ্চায়েত ভোটের ভোট বাক্স পৌঁছেগেছে ব্লকে ব্লকে। হরিরামপুর ব্লকে ভোট বাক্স ঠিক করতে ব্যস্ত মিস্তিরিরা। ভোট কেন্দ্র ভোট বাক্স যাবার আগে শেষ বারের মতো ভোট বাক্স মেরামত করে নিচ্ছে কারিগরেরা। মূলত বাক্সের তালা ও সমস্ত বাক্স ঠিক করে খুলছে কিনা সেই বিষয় গুলো দেখে নিচ্ছেন। বাক্সের লকে দেওয়া হচ্ছে তেল মোবিল। ভোট জবেই হোক প্রস্তুতি সেরে ফেলছেন ব্লক প্রশাসন।

প্রথম পাতা রাজ্য পঞ্চায়েত একটি মধুর ভাণ্ডার! ‌এত ঝামেলা শুধুমাত্র একটি অঙ্কে, অনুব্রতই আসলে ঠিক

কৈলাস রায় , | ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ১৪:০৮:৪৮ | শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ১৪:০৯:৫৪ পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কোনও রাজনৈতিক দলই এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিতে রাজি নয়। অঙ্ক কষেই এই হানাহানি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কীসের লড়াই? গ্রাফিক্স:  কৈলাস রায়   340 অনুব্রত মণ্ডলকে কেন এত দোষ দিলাম, ভেবেই মনটা খারাপ লাগছে।  তৃণমূল কংগ্রেসের  বীরভূম জেলা সভাপতির কথাটা এত খারাপও ছিল না, যতটা আমরা ভেবেছিলাম। উনি তো ঠিকই বলেছিলেন, রাস্তায় ‘উন্নয়ন’ই দাঁড়িয়ে থাকবে। ভেবে দেখুন, পুরো  পঞ্চায়েত নির্বাচন টাই আসলে ‘উন্নয়ন’-এর উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত মানেই তো ‘উন্নয়নের মধুভাণ্ড’। এই সব নবান্ন টবান্ন বা হিল্লি দিল্লি আসলে কিস্‌সু না। উন্নয়নের চাবিকাঠি কিন্তু পঞ্চায়েতের হাতেই। কোন চাবি ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতের কাছে? টাকা আর ক্ষমতা। প্রধানমন্ত্রীর নামে প্রকল্পের টাকা বা কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের টাকা হোক বা রাজ্য অর্থ কমিশনের বরাদ্দ টাকা— সবই সরাসরি পঞ্চায়েত সমিতি বা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাছে চলে যায়। আর সেই টাকার সঙ্গে যা আসে, তা হল— ক্ষমতা। ‘ এক্কা দোক্কা ’ কলামের অন...