দক্ষিণবালুরঘাট: ভোজালীর কোপে আশংকাজনক ও জ্ঞানহীন অবস্থায় বালুরঘাট সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন দিনমুজুর বান্দু ওঁরাও। ৬৫বছর বয়সী এই বৃদ্ধর পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে বাইরে ভালো কোনো নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা, অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের সুতো কিনবার ক্ষমতাও নেই। ভোজালীর আঘাতে পেটের ভেতর থেকে ক্ষুদ্রান্ত বৃহদ্রান্ত সবই বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। চিকিৎসকদের মতে ক্ষুদ্রান্তের সাতটি জায়গায় এপার-ওপার ফুটো হয়ে গিয়েছিল। এমতাবস্থায় বালুরঘাট সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে বিনা খরচে প্রায় দুই ঘন্টার প্রচেষ্টায় সফল অস্ত্রোপচারে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন তিনি।তপন থানার অভিরামপুর এলাকায় বাড়ি পেশায় দিনমজুর বান্দু ওরাও’এর। ভাইপো বিষ্ণু ওরাও তিন হাজার টাকা চেয়ে তা না পাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে বাড়িতে ঢুকে মদ্যপ অবস্থায় তার পেতে ভোজালি দিয়ে বেশ কয়েকবার কোপ মেরে পালিয়ে যায়। ঘটনায় পেটের ভেতর থেকে নাড়িভুঁড়ি সব বাইরে বেরিয়ে আসে। গামছা দিয়ে কোনোরকমে বেঁধে রক্তাক্ত ও আশংকাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকেরা তাকে সোজা বালুরঘাট সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে পৌঁছান। ওই রাতেই এক মুহূর্তও দেরি না করে হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ হাসান সুবিদ ও অন্যান্যরা অপারেশন টেবিলে নিয়ে যান। দুই ঘন্টার প্রচেষ্টায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে আসার সব কিছু পুনরায় পেটের ভেতর প্রতিস্থাপন করেন সফল ভাবে। অতি আশংকাজনক ও মৃতপ্রায় অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আদিবাসী দিনমজুর বর্তমানে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। শনিবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফায়ার গেলেন। সরকারি হাসপাতালের অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবায় নতুন জীবন ফিরে পেয়ে খুশি বান্দু ওরাও ও তাঁর পরিবারের লোকেরা দিনাজপুর
দীর্ঘদিন বড়পর্দায় নেই অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। ফলে হেডলাইনেও ছিলেন না। ফিরেছেন বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে। নানা পাটেকের বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন দিন দু’য়েক আগেই। এ বার মুখ খুললেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর বিরুদ্ধে। ২০০৫-এ মুক্তি পেয়েছিল বিবেক পরিচালিত ছবি ‘চকোলেট’। অভিযোগ, তার সেটেই নাকি তনুশ্রীর সঙ্গে অভব্যতা করেছিলেন তিনি। পোশাক খুলে নাকি তনুশ্রীকে নাচের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিবেক। তবে তনুশ্রীর সহ অভিনেতা ইরফান খান এবং সুনীল শেট্টি নাকি ওই ঘটনার প্রতিবাদ করে নায়িকার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তনুশ্রী সম্প্রতি সাংবাদিকদেরবলেন, ‘‘চকোলেটের সেটে সে দিন আমার শট ছিল না। আমি অন্য এক অভিনেতাকে কিউ দিচ্ছিলাম। ওই অভিনেতা আমার দিকে তাকিয়ে এক্সপ্রেশন দেবেন, সেই কিউ দেওয়ার কাজ ছিল আমার। তখন পরিচালক আমাকে পোশাক খুলে নাচতে বলেছিলেন। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।’’ আরও পড়ুন, ‘অন্তরঙ্গ হতে চেয়েছিলেন নানা পাটেকর’, এক দশক আগের বোমা ফাটালেন তনুশ্রী সে সময় তনুশ্রীর সাহায্যে এগিয়ে গিয়েছিলেন ইরফান খান। সে দিন ইরফানেরই শট চলছিল বলে জানিয়েছেন তনুশ্রী। তাঁর কথায়, ‘‘ইরফান বলেছিল আমার এক্সপ...
Comments
Post a Comment